কর্মীদের কাজের মূল্যায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের বিষয়টি যুক্ত করেছে গুগল। এখন থেকে শুধু সফটওয়্যার প্রকৌশলী নয়, বিক্রয়, কৌশল ও অন্যান্য অ-প্রযুক্তি বিভাগেও এআই ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুগলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ‘গ্র্যাড’ (গুগলার রিভিউস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট)-এ এআই ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কয়েকজন কর্মী জানিয়েছেন, তাদের দৈনন্দিন কাজে এআই টুল ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের জুনে প্রকৌশল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মেগান কাচোলিয়া প্রকৌশলীদের এআই ব্যবহারে উৎসাহ দিয়ে ইমেইল পাঠান। এখন সেই নীতি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। অ-প্রযুক্তি কর্মীদের কৌশলগত নথি তৈরি, বিক্রয় কল বিশ্লেষণ এবং গ্রাহক তথ্য তৈরিতে এআই ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
কিছু বিক্রয়কর্মী জানিয়েছেন, ফোন কল রেকর্ড করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোট তৈরি করে—এমন অভ্যন্তরীণ এআই টুল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোথাও কোথাও সাপ্তাহিক ব্যবহারের লক্ষ্যও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। ক্লাউড বিক্রয় দল ‘ইউডলি’ নামের একটি এআই টুল ব্যবহার করছে, যাতে গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলার আগে অনুশীলন করা যায়।
গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই আগেই বলেছেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এআই গ্রহণ জরুরি। ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে কোম্পানির প্রায় ৫০ শতাংশ কোড এআই দ্বারা তৈরি হয়েছে, যা পরে প্রকৌশলীরা যাচাই করেন। তথ্য সুরক্ষার জন্য কর্মীদের নির্দিষ্ট অভ্যন্তরীণ টুল, যেমন ‘ডাকি’ ও ‘গুজ’, ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গুগল একা নয়। মেটা প্ল্যাটফর্মস ও মাইক্রোসফট-ও কর্মমূল্যায়নে এআই দক্ষতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রযুক্তি খাতে এআই এখন আর অতিরিক্ত দক্ষতা নয়, বরং মৌলিক চাহিদায় পরিণত হচ্ছে।









