ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্লেন্ডেড (অনলাইন ও সশরীর মিলিয়ে) ক্লাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই পরিকল্পনার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করা হবে অথবা মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করা হবে। আজ বৃহস্পতিবারই বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর ক্লাস নেওয়া হবে। একদিন অনলাইন ক্লাস হলে পরদিন সশরীর ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে পাঠদান করতে হবে। তবে ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো সশরীরেই পরিচালিত হবে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সেখান থেকেই আসবে।
উল্লেখ্য, এর আগে কোভিড-১৯–এর সময় ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর বিকল্প হিসেবে অনলাইন ও টেলিভিশনে ক্লাস চালু করা হয়। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এসব পদ্ধতির কার্যকারিতা সীমিত ছিল।









