বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে দেরি হচ্ছে তার শারীরিক অবস্থার কারণেই—এমন তথ্য জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শনিবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
ডা. জাহিদ বলেন, “এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত জানানো হবে। গুজব ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে বলছি।”
তিনি জানান, গত ছয় বছর ধরে প্রতিকূল পরিবেশেও মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসা সমন্বয়ে তার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান প্রতিদিন সকাল-বিকেল বোর্ডের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরাও নিয়মিত চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হচ্ছেন।
এদিন দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে যান ডা. জুবাইদা। শুক্রবার লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছে তিনি সরাসরি হাসপাতালে যান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী জানান, মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পৌঁছাবে। তিনি বলেন,
“কাতার কর্তৃপক্ষ জার্মানি থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করেছে। সবকিছুই তারা তত্ত্বাবধানে করছে। সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ মেডিকেল বোর্ডের।”
গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে। বোর্ডে রয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমানও, যিনি তার শাশুড়িকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিতে এসেছেন।









