যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে হামাসের বিরল প্রশংসা করার পাশাপাশি ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে দেওয়া দুই ঘণ্টার দীর্ঘ ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, গাজায় বন্দি ইসরায়েলিদের মরদেহ উদ্ধারে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের সাথে মিলে কাজ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে কয়েক শ’ মরদেহের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট করে ইসরায়েলি বন্দিদের খুঁজে বের করা ছিল অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ।
এই অভিযানে ২৮ জন ইসরায়েলির মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়ে তিনি এর কৃতিত্ব দেন তার জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফকে। ট্রাম্পের মতে, এই অসাধ্য সাধন হবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
বিশ্ব রাজনীতিতে নিজের প্রভাব জাহির করতে গিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তার মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-ভারত, মিশর-ইথিওপিয়া এবং কসোভো-সার্বিয়াসহ বিশ্বের আটটি বড় যুদ্ধ বা সংঘাতের অবসান ঘটেছে। গাজা যুদ্ধকেও তিনি প্রায় সমাপ্তির পথে বলে অভিহিত করেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, গত বছরের জুনে মার্কিন সামরিক অভিযান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কার্যত ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনে আবারও শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেন তিনি। ইরানকে ‘সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ট্রাম্প বলেন, কূটনীতিতে তার আগ্রহ থাকলেও আমেরিকার নিরাপত্তার প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করবেন না।
সূত্র: মিডলইস্ট আই









