হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সাইফ্রেডের জন্য ২০২৫ সালের শেষভাগ ছিল অত্যন্ত ব্যস্ততাময়। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত মিউজিক্যাল ড্রামা ‘দ্য টেস্টামেন্ট অব অ্যান লি’ এবং ইরোটিক থ্রিলার ‘দ্য হাউসমেইড’।
ছবি দুটি বিষয়বস্তুর দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন হলেও একটি বিশেষ জায়গায় তারা এক সুতোয় গাঁথা, আর তা হলো শক্তিশালী নারী চরিত্রের প্রাধান্য।
সম্প্রতি বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে এক সংবাদ সম্মেলনে আমান্ডা নিজের কাজ ও বর্তমান চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তার মতে, পর্দায় নারীকেন্দ্রিক গল্পের প্রতি নারী দর্শকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহই এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
বার্লিনালে-তে ‘দ্য টেস্টামেন্ট অব অ্যান লি’ ছবির স্পেশাল গালা স্ক্রিনিংয়ের আগে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে আমান্ডাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ফ্যাসিবাদের উত্থানের এই সময়ে সিনেমার গুণমান কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য না করলেও আমান্ডা শিল্পীর দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে উত্তর দিয়েছেন।
তিনি জানান, সন্তান ও পরিবার ছেড়ে কোনো প্রজেক্টে সময় দেওয়ার আগে তিনি ভাবেন সেই কাজটি একজন শিল্পী হিসেবে তাকে কতটা সমৃদ্ধ করবে। তার মতে, মানের সংজ্ঞা হলো একটি স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি এবং সিনেমার ভাষায় কোনো মানুষের জীবনকে নিপুণভাবে অন্বেষণ করা।
অন্যদিকে, পল ফেইগ পরিচালিত ‘দ্য হাউসমেইড’ বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। সিডনি সুইনির সঙ্গে এই ছবিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাকে আমান্ডা ‘অত্যন্ত আনন্দদায়ক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, তার সাম্প্রতিক এই দুটি ছবিই মূলত দৃঢ় চরিত্রের নারীদের গল্প বলে। এমন নারীদের কথা বলে যাদের নিজস্ব চাহিদা রয়েছে এবং যারা বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা ও সম-অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সচল।
আমান্ডার মতে, এই ধরনের চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং নারীদের বাস্তব প্রয়োজনগুলো পর্দায় ফুটিয়ে তোলা ব্যক্তিগতভাবে তার জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।









