মরিশাসের পোর্ট লুইসে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গতকাল শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালন করা হয়েছে। দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে হাইকমিশন চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। সন্ধ্যায় অমর একুশের ঐতিহাসিক তাৎপর্য এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বিশ্বব্যাপী গুরুত্ব তুলে ধরে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, ভারত, পাকিস্তান, মাদাগাস্কার, দক্ষিণ আফ্রিকা, রাশিয়া, ইইউ, ইউএনসহ বিভিন্ন মিশনের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং কূটনীতিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যসহ আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মরিশাসের বিভিন্ন স্পিকিং ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। হাইকমিশনার ড. জকি আহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরিশাস প্রজাতন্ত্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট Mr. Jean Yvan Robert Hungley।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা আন্দোলনের সকল শহিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করা হয়।
হাইকমিশনার ড. জকি আহাদ তার বক্তব্যে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ এবং আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের সকল ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন ও সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
মরিশাস প্রজাতন্ত্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট Mr. Jean Yvan Robert Hungley বাংলাদেশের ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, এই দিনটি শুধু ভাষাগত বৈচিত্র্যের উদযাপন নয়, মানবতা, ঐক্য ও পরিচয়ের চেতনার আত্মত্যাগ কে স্মরণ করিয়ে দেয়।
পরে হাইকমিশনার প্রধান অতিথিসহ ডিপ্লোম্যাটিক কর্পস এর সকল সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং মিশনের কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শহিদদের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।









