প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্মীয় ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শনিবার (গতকাল) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার ‘ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ’ বিষয়ক বিশেষ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সামাজিক বৈষম্য দূর করে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সভায় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের মসজিদসমূহের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানি ভাতা চালুর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। ভাতার পরিমাণ নির্ধারণে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক করা হবে এবং ঈদের আগেই কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে জনশক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও দপ্তর চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সচিবালয় ও তেজগাঁও কার্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে দাফতরিক কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের প্রথম দিকের এসব কর্মসূচি প্রশাসনিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বার্তা দিচ্ছে।









