ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের দ্বারপ্রান্ত থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১ উইকেটের নাটকীয় জয় পেয়েছে পাকিস্তান। রোববার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ৯৬ বলে অপরাজিত ১১৩ রানের ইনিংস খেলে এই জয়ের নায়ক হয়েছেন অলরাউন্ডার শাদাব খান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটিই তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি।
ইংল্যান্ডের দেওয়া ২৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫৪ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। সেখান থেকে শেষ উইকেটে হারিস রউফকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৮৯ রানের জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন শাদাব। ১৩টি চার ও পাঁচটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি খেলেন ২৮ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। ওয়ানডেতে আট নম্বর বা তার নিচে নেমে এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড।
নবম উইকেটের পতনের পর অনেক দর্শক মাঠ ছেড়ে চলে যান। তবে শাদাব লড়াই চালিয়ে যান। ম্যাচের ৪৫তম ওভারে গাস অ্যাটকিনসনকে ছক্কা মেরে তিনি ৯৭ রানে পৌঁছান। পরের বলেই এলবিডব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার তাঁকে আউট ঘোষণা করেন। শাদাব হতাশায় ব্যাট দিয়ে মাটিতে আঘাত করেন, দুই দলের ক্রিকেটাররা হাত মেলানোও শুরু করেছিলেন। তবে রিভিউয়ে রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আগে ব্যাটে লেগেছিল। জীবন ফিরে পেয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন হারিস, ১৯ বলে অপরাজিত থাকেন ৭ রানে।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারে, এমনকি ছোটবেলা থেকেও আমার জীবনে এমন ইনিংস আর কখনও দেখিনি। অধিনায়ক হিসেবে আমি সত্যিই খুব খুশি।’
শাদাব বলেন, ‘একটি ইনিংস তখনই উপভোগ্য হয় যখন দল জেতে। তাই আমি খুবই খুশি যে, এমন একটি ইনিংস খেলতে পেরেছি এবং আমরা ম্যাচটি জিতেছি।’ জয়ের কৃতিত্ব হারিসকেও দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমার চেয়ে হারিসের বেশি কৃতিত্ব প্রাপ্য।’ ব্যাটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে মজার কথাবার্তাও হয়েছে বলে জানান শাদাব।









