আসন্ন বিপিএল টি-টোয়েন্টির ১২তম আসরকে সামনে রেখে নিলামের জন্য প্রকাশিত স্থানীয় খেলোয়াড়দের তালিকায় বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের নাম না থাকায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এবার এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
বিবৃতি অনুযায়ী, সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পেয়েছেন। ওই প্রতিবেদনের পর সম্ভাব্য দুর্নীতিসংক্রান্ত সব বিষয় বোর্ডের নবগঠিত ইনটেগ্রিটি ইউনিটের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ইউনিটটির নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যালেক্স মার্শাল। বিসিবির অন্যান্য বিভাগের মতো ইনটেগ্রিটি ইউনিট পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করে।
গভর্নিং কাউন্সিল বলছে, দুর্নীতির অভিযোগকে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বিপিএলের ১২তম আসরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গভর্নিং কাউন্সিল ইনটেগ্রিটি ইউনিটের স্বাধীন চেয়ারম্যানের কাছ থেকে লিগের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পরামর্শ পেয়েছে।
সেই পরামর্শের ভিত্তিতে কয়েকজনকে (যাদের মধ্যে কিছু খেলোয়াড়ও রয়েছেন) এ বছরের আসরে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
গভর্নিং কাউন্সিল আরো জানিয়েছে, এটি শুধুমাত্র বিপিএলসংক্রান্ত একটি ব্যবস্থা। তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও টুর্নামেন্টের সৎ ভাবমূর্তি রক্ষার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। বিসিবির আওতাধীন অন্য কোনো ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর নয়।
ব্যক্তিগত বিষয়ে আগ্রহ থাকলেও তদন্ত চলাকালীন কোনো খেলোয়াড় বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে মন্তব্য করা উপযুক্ত নয় বলে জানিয়েছে বোর্ড।
বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা সুষ্ঠু ও পরিচ্ছন্ন একটি টুর্নামেন্ট আশা করেন উল্লেখ করে গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, বিসিবি খেলার স্বচ্ছতা রক্ষায় সব ধরনের যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে, বিপিএলের গত আসরে ফিক্সিংসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগে নিলামের তালিকায় কয়েকজনের নাম থাকবে না বলে গুঞ্জন চলছিল কিছুদিন ধরেই।









