ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত ও উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত সহ-পাইলট হামাম আলহামামিকে নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।
উগ্রপন্থী মতাদর্শে প্রভাবিত হওয়ার উদ্বেগে তাকে আগেই ওমানে উড়োজাহাজ চালানো থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে ওমানি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’র প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে বলা হয়েছে, ওমানে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক উড়োজাহাজ সংস্থা ফ্লাইদুবাই তাঁকে নিয়োগ দেয়। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী সংবেদনশীল রুটে উড়োজাহাজ চালানোর সুযোগ পান তিনি।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাম ২০২৪ সালে ওমানের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা ওমান এয়ারে সহ-পাইলট প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে কাজ করার সময় তার কাছে উগ্রপন্থী বিষয়বস্তু পাওয়া যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তাঁকে উড়োজাহাজ চালানো থেকে বিরত রাখা হলেও প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত রাখা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তিনি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আবিব যাওয়ার পথে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত ও উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সহ-পাইলট হামাম ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে ছুরিকাঘাত করেন এবং উড়োজাহাজটির নিয়ন্ত্রণ বিপন্ন করে তোলেন।
আহত অবস্থাতেও ক্যাপ্টেন ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। পরে যাত্রী ও ক্রুরা অভিযুক্তকে নিবৃত্ত করেন এবং অন্য দুই পাইলট উড়োজাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক শহরে জরুরি অবতরণ করান।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘটনাটিকে উগ্রপন্থার সঙ্গে যুক্ত করে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগাযোগ এবং ঘটনার পূর্ণ বিবরণ নিয়ে তদন্ত চলছে।
তথ্য সূত্র- ওয়াল ষ্ট্রীট জার্নাল।









