সোমবার । সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Image Not Found
ব্রেকিং নিউজ
  • Home
  • জাতীয়
  • প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরে জোর ঢাকার

প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরে জোর ঢাকার

Image

✒️ মাসুদ করিম, ঢাকা ও গৌতম লাহিড়ী, নয়াদিল্লি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে পর্দার আড়ালে নানা তৎপরতা চলছে। এ ক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরকে জোর দিচ্ছে ঢাকা। তবে ভারতীয় সাবেক কূটনীতিকরা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ মিটিংয়ে যোগ দেওয়া উচিত। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের বিস্তারিত রিপোর্ট করেন। সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে আউটরিচ মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার পক্ষপাতী নন। বরং অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ তিনি গ্রহণ করবেন।

বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্কোন্নয়নে দিল্লির বেশ তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্য ঘিরে দুই দেশের সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই রাতেই ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া ভাষায় দেওয়া প্রতিবাদে ক্ষোভের প্রকাশ ছিল স্পষ্ট। এরপর অবশ্য উত্তেজনা প্রশমনে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। তার আগের রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গেও বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে বৈঠকের পর  ঢাকার বার্তা নিয়ে দিল্লি যান ত্রিবেদী। তিনি বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। এরই মধ্যে ঢাকায় ঘুরে গেছেন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং প্রধান পরাগ জৈন।

সিদ্ধান্ত হবে রাজনীতিক পর্যায়ে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যাবেন কি না সে সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে রাজনীতিবিদদের কাছে। ফলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যে উইং এ বিষয় দেখাশোনা করে তারা তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দিকে। ঢাকা-দিল্লি সাম্প্রতিক প্রবণতায় কূটনীতিকে ছাপিয়ে গেছে রাজনীতি। ফলে দ্বিপক্ষীয় রুদ্ধদ্বার আলোচনায় রাজনীতিবিদরাই থাকছেন। দিনেশ ত্রিবেদী যদিও কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি ভারতের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদও। নয়াদিল্লি সম্ভবত আগেই ভেবেছিল যে, পরিবর্তিত বাস্তবতায় রাজনীতিই নির্ধারণ করবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গতিপথ। সম্ভবত এ কারণে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার করে পাঠানো হয়। তাঁকে দেওয়া হয় মন্ত্রীর পদমর্যাদা। যে কারণে তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে সরাসরি মোদির দরবারের হাজির হয়েছেন। তারেক রহমানের সঙ্গে ত্রিবেদীর বৈঠকের সময়েও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক পর্যায়ের দুই ব্যক্তি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। কূটনৈতিক অঙ্গনে কানাঘুষা হচ্ছে, ভারত শেখ হাসিনাকে দেশিবিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় তা দেখার জন্য। এটা অনেকটা টেস্ট কেস। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রকাশ্যেই বলেছেন, ভারত হাসিনা কার্ড খেলছে। দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে তারেক রহমানের কী আলোচনা হয়েছে কিংবা মোদির কাছে কী বার্তা পৌঁছে দিলেন ত্রিবেদী সেটা জানা কঠিন। তবে এটা সহজেই অনুমেয় যে, ঢাকার অস্বস্তির কথাগুলো মোদিয়ে বুঝিয়ে বলার জন্য ত্রিবেদীকে দূতিয়ালির উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এ সময়ে দিল্লি সফর করতে হলে ভারতকে কথিত ‘হাসিনা কার্ড’ ব্যবহার বন্ধ করার মতো শর্ত থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। পাশাপাশি গঙ্গা চুক্তির নবায়ন কিংবা তিস্তা চুক্তি সই করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ইতিবাচক অগ্রগতি প্রত্যাশা করাও বর্তমান বাস্তবতায় বরফ গলার উপায় হতে পারে।

জানতে চাইলে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে অভিজ্ঞ কূটনীতিক সাবেক রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে উত্তেজনা আছে। সংকটকালে রাষ্ট্রদূতদের দায়িত্ব বেশি থাকে। ফলে দিনেশ ত্রিবেদী যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে দেখা করেছেন এটা ইতিবাচক। এখন তিনি তাঁর দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট করেছেন। রাষ্ট্রদূত দেখা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বরং এটা না করা হলে অবশ্যই অবাক হতাম’।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারত এখন আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেন। বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এ আমন্ত্রণ পেয়েছেন। আসিয়ান, ইইউসহ আরও অনেক আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও যোগ  দেবেন। তা ছাড়া দ্বিপক্ষীয় সংকটময় পরিস্থিতিও স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন সেদিকে সবার নজর থাকবে।

সম্পর্কোন্নয়নে তৎপর দিল্লি : ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের নির্যাস রিপোর্ট করেছেন। সূত্র জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে আউটরিচ মিটিংয়ে আসার পক্ষপাতী নন। বরং ‘অনুকূল পরিবেশ’ সৃষ্টি হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন। এই দ্বিপক্ষীয় সফর দ্রুত করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

হাইকমিশনার ১৪ আগস্ট পর্যন্ত দিল্লিতে আছেন। এর মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। দ্বিপক্ষীয় সফরে প্রস্তুতির জন্য পররাষ্ট্র সচিব ঢাকা সফর করতে পারেন বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি এই মাসের শেষ সপ্তাহে সাংহাই কো-অপারেশনের সংগঠনের শীর্ষ সম্মেলনে যাবেন। এরপর ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ব্যস্ত হয়ে যাবেন। এরই মধ্যে সফরসূচি তৈরির প্রস্তুতি চলছে। তবে এটা ঠিক ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না এলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির আসতে পারেন। এ বিষয়ে ঢাকায় দায়িত্ব পালন করা সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রী মনে করেন, ব্রিকস-এ বাংলাদেশ ভবিষ্যতে সদস্য হতে পারে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি জরুরি। আরেক সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, কেবল বিমসটেক সভাপতি নয়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সভাপতি আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, জিসিসি, আসিয়ান সভাপতিও আমন্ত্রিত। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমন্ত্রিত। একমাত্র বিমসটেক সভাপতির অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটু হবে।

তবে জিন্দাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত মনে করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অস্বস্তির বিষয় হয়ে উঠেছেন। এটা ভারত সরকারের উপলব্ধি করা উচিত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে হাসিনার মন্তব্য নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির সঙ্গে বৈঠক করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, এক দিন নয়, দুই দিন বৈঠক করেছেন। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন স্বার্থ নিয়ে কথা হয়েছে। এ বৈঠক হয় রাষ্ট্রদূতের ঢাকা সফরের পর। সূত্রেমতে, আলোচনায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ বিষয়ে কোনো ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ঘোষণা হতে পারে।

Releated Posts

সাইন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ–আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

সাইন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ–আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার…

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি

সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি

বাংলাদেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন ঋণের সুযোগ বাড়াতে ১০ কোটি ডলার ঋণ…

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে নিউইয়র্ক থেকে আজ সকালে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর…

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পথে বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর

ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পথে বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কপ৩১-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে আলোচনা

কপ৩১-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে আলোচনা

তুরস্কের আন্টালিয়া নগরীতে অনুষ্ঠেয় কপ৩১ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও তুরস্ক। জাতিসংঘ…

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
প্রশাসনিক স্থবিরতা ও অনিয়মে গভীর সংকটে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (নিমকো)

প্রশাসনিক স্থবিরতা ও অনিয়মে গভীর সংকটে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (নিমকো)

✒️আবু সুফিয়ান তীব্র প্রশাসনিক স্থবিরতা ও সীমাহীন অনিয়মে গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (নিমকো)। অতীতে প্রখ্যাত…

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফেরার…

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত: মাহদী আমিন

জাতিসংঘে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ঐতিহাসিক ভাষণের…

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স…

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬